মূল অংশে যান
কুরআনের আরবি · সব পাঠ
ধাপ ১ · পাঠ ২১

অনেক, অল্প, স্পষ্ট: যে শব্দ বিশেষ্যকে বর্ণনা করে

বর্ণনা করে এমন আটটি শব্দ, যাদের পাঁচটির অর্থ কোর্স নিজে দেয় না, আর এমন শব্দ কীভাবে তার বিশেষ্যকে অনুসরণ করে।

এআই-এর লেখা ও যাচাই করা

এই পাঠগুলো এআই লিখেছে এবং এআই-ই যাচাই করেছে; আরবির কোনো শিক্ষক এখনও এগুলো পড়েননি। আয়াত, সেগুলোর অর্থ ও প্রতিটি শব্দের বিশ্লেষণ নিজ নিজ উৎস থেকে নেওয়া, আর যেখানে দেখানো হয় সেখানে উৎসের নাম দেওয়া আছে।

পুরোপুরি জানা কুরআনের শব্দ
৫৮.৩%
এ পর্যন্ত শেখানো কুরআনের শব্দাংশ
৭৪.৮%

Quranic Arabic Corpus থেকে গোনা: কোনো শব্দের প্রতিটি অংশ শেখানো হয়ে গেলে শব্দটি পুরোপুরি জানা ধরা হয়। এই সংখ্যাগুলো বলে আপনি কোন শব্দগুলোর দেখা পেয়েছেন, আপনি কতটা বোঝেন তা নয়।

এই পাঠে বিশেষণ: যে শব্দ বলে কোনো বিশেষ্য কেমন। আরবিতে এটি বিশেষ্যের পরে বসে আর তার মতোই রূপ নেয়। সঙ্গে কুরআনে বহুল ব্যবহৃত, বর্ণনা করে এমন আটটি শব্দ।

নতুন শব্দ

  • كَثِيرকুরআন যেভাবে লেখে: كَثِيرًا · كَثِيرٌ · كَثِيرٍ

    অনেক

    ধাতুমূল: ك ث رকুরআনে কতবার: ৬৩

  • قَلِيلকুরআন যেভাবে লেখে: قَلِيلًا · قَلِيلٌ · قَلِيلٍ

    অল্প

    ধাতুমূল: ق ل لকুরআনে কতবার: ৭০

  • مُّبِينকুরআন যেভাবে লেখে: مُّبِينٌ · مُّبِينٍ · مُبِينُ

    স্পষ্ট, স্পষ্ট করে এমন

    ধাতুমূল: ب ي نকুরআনে কতবার: ১১৯

  • عَظِيمকুরআন যেভাবে লেখে: عَظِيمٌ · عَظِيمًا · عَظِيمِ

    এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।

    ধাতুমূল: ع ظ مকুরআনে কতবার: ১২০

  • عَلِيمকুরআন যেভাবে লেখে: عَلِيمٌ · عَلِيمُ · عَلِيمٌۢ

    এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।

    ধাতুমূল: ع ل مকুরআনে কতবার: ১৬৩

  • عَزِيزকুরআন যেভাবে লেখে: عَزِيزُ · عَزِيزٌ · عَزِيزِ

    এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।

    ধাতুমূল: ع ز زকুরআনে কতবার: ১০১

  • حَكِيمকুরআন যেভাবে লেখে: حَكِيمٌ · حَكِيمُ · حَكِيمًا

    এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।

    ধাতুমূল: ح ك مকুরআনে কতবার: ৯৭

  • غَفُورকুরআন যেভাবে লেখে: غَفُورٌ · غَفُورًا · غَفُورُ

    এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।

    ধাতুমূল: غ ف رকুরআনে কতবার: ৯১

এদের পাঁচটি, ‘আযীম, ‘আলীম, ‘আযীয, হাকীম আর গাফূর, কুরআনের ব্যবহারে দ্বীনের অর্থ বহন করে: কোর্স নিজে থেকে এদের কোনো অর্থ দেয় না, আয়াতে পড়ুন, পাশে সংস্করণের অর্থ দেওয়া আছে। তবু এরা কীভাবে গঠিত আর বাক্যে কী কাজ করে, তা শেখা যায়।

বিশেষ্যের পরে, তারই মতো

বিশেষণ বিশেষ্যের পরে বসে আর চারটি জিনিসে তার সঙ্গে মেলে: পদে, বচনে, লিঙ্গে, আর আল- আছে কি নেই তাতে। একটি ব্যতিক্রম আপনি পাবেন: যা মানুষ নয় এমন কিছুর বহুবচনের বিশেষণ বেশির ভাগ সময় স্ত্রীলিঙ্গ একবচনে বসে।

عَنِ ٱلنَّبَإِ ٱلْعَظِيمِ

মহাসংবাদটির বিষয়ে [১],

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৭৮:২

‘আনিন-নাবা’ইল-‘আযীম-এ বিশেষ্য নাবা’, আর যে শব্দ তাকে বর্ণনা করে তা ‘আযীম। দুটিতেই আল- আছে, আর করপাস দুটিকেই পুংলিঙ্গ, একবচন ও সম্বন্ধ পদে চিহ্নিত করে: তৃতীয় পাঠের ‘আন বিশেষ্যকে সম্বন্ধ পদে আনে, বিশেষণ তাকে অনুসরণ করে।

لِيَوْمٍ عَظِيمٍ

মহাদিনে ?

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৮৩:৫

এখানে কোনোটিতে আল- নেই: ইয়াওমিন ‘আযীমিন, আর করপাস দুটিকেই সম্বন্ধ পদে চিহ্নিত করে।

فِيهَا عَيْنٌ جَارِيَةٌ

সেখানে থাকবে বহমান প্রস্রবণ,

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৮৮:১২

‘আইনুন জারিয়াতুন: করপাস ‘আইন-কে স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করে, শব্দে তার কোনো চিহ্ন নেই, নবম পাঠের আরদ-এর মতো। তার বিশেষণ -আহ দিয়ে স্ত্রীলিঙ্গ দেখায়, আর দুটিই কর্তৃপদে, আল- ছাড়া।

বর্ণনা, না বক্তব্য

আল- সহ বিশেষ্যের পরে এমন শব্দ দুটি আলাদা কাজ করতে পারে, আর আল- তাদের আলাদা করে।

অনুশীলনের জন্য লেখা একটি বাক্য
الْبَيْتُ الْكَبِيرُ قَرِيبٌ

বড় ঘরটি কাছে।

এই বাক্যটি অনুশীলনের জন্য লেখা। আল-কাবীরু-তে আল-বাইতু-র মতো আল- আছে, তাই এটি তাকে বর্ণনা করে: "বড় ঘরটি"। কারীবুন-এ আল- নেই, তাই এটি ঘর সম্পর্কে বক্তব্য: "কাছে"। ত্রয়োদশ পাঠের বাক্যগুলোর মতো এখানেও "হয়" বোঝাতে আরবিতে কোনো শব্দ লাগে না।

একটি ছাঁচ

কাসীর, কালীল, ‘আযীম, ‘আলীম, ‘আযীয আর হাকীম একই ছাঁচে গড়া: ধাতুমূলের তিন অক্ষর, প্রথমটির পরে আ, দ্বিতীয়টির পরে দীর্ঘ ঈ। গাফূর একইভাবে গড়া, ঈ-র জায়গায় ঊ নিয়ে। জানা ধাতুমূল শব্দ চিনতে সাহায্য করে: ষষ্ঠ পাঠের ‘আলিমা-র মতো ‘আলীম-এর ধাতুমূলও ‘-ল-ম। তবু এর অর্থ আয়াতেই পড়ুন।

قَلِيلًا
এর অংশগুলো
  1. قَلِيلًاঅল্প
কুরআন ৭৭:৪৬

কালীলান-এ কর্মপদের শেষ-স্বর। করপাস এখানে একে বিশেষণ হিসেবে চিহ্নিত করে, যদিও এর আগের শব্দটি বিশেষ্য নয়, ক্রিয়া।

وَكَثِيرٌ
এর অংশগুলো
  1. وَএবং, ও
  2. كَثِيرٌঅনেক
কুরআন ৫৭:১৬

ওয়া-কাসীরুন হলো ওয়া আর কাসীরুন। করপাস এখানে একে বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করে: এমন শব্দ বর্ণনা করার মতো কোনো বিশেষ্য ছাড়াও একা বসতে পারে।

وَلَقَدْ رَءَاهُ بِٱلْأُفُقِ ٱلْمُبِينِ

তিনি তো তাকে স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছেন [১],

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৮১:২৩

শেষ শব্দটি আল-মুবীন, আগের বিশেষ্যের মতো আল- সহ, আর তারই মতো সম্বন্ধ পদে। করপাস মুবীন-কে চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়ার কর্তৃবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করে, যা বিংশ পাঠে দেখেছেন আর পরের পাঠে আরও আছে।

পড়া

এই পাঠের পর যে শব্দগুলো আপনি পুরোপুরি জানেন, সেগুলো চিহ্নিত করা আছে।

تِلْكَ (জানা) ءَايَـٰتُ (জানা) ٱلْكِتَـٰبِ (জানা) ٱلْمُبِينِ (জানা)

এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ২৬:২
تِلْكَ (জানা) ءَايَـٰتُ (জানা) ٱلْكِتَـٰبِ (জানা) ٱلْحَكِيمِ (জানা)

এগুলো হিকমতপূর্ণ কিতাবের আয়াত,

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৩১:২
بَلِ (জানা) ٱلَّذِينَ (জানা) كَفَرُوا۟ (জানা) يُكَذِّبُونَ (জানা)

বরং কাফিররা মিথ্যারোপ করে।

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৮৪:২২

মনে করুন

  • বিশেষণ কোন চারটি জিনিসে বিশেষ্যের সঙ্গে মেলে?
  • "বড় ঘরটি" আর "ঘরটি বড়" কীভাবে আলাদা হয়?
  • কালীল-এর ছাঁচে কোন স্বরধ্বনি থাকে?

উত্তর: পদ, বচন, লিঙ্গ, আর আল- আছে কি নেই; বিশেষণে আল- থাকে, ঘর সম্পর্কে বক্তব্যে থাকে না; আ, তারপর ঈ।

পরের পাঠ

পরের পাঠে সেই বিশেষ্য, যা বোঝায় কে কাজটি করে, আর তার পুংলিঙ্গ বহুবচন।