আটটি বহুল ব্যবহৃত ক্রিয়া, আর দুর্বল অক্ষর বা হামযাযুক্ত ধাতুমূল
কুরআনের আটটি বহুল ব্যবহৃত ক্রিয়া, আর যে ক্রিয়ার ধাতুমূলের মাঝের অক্ষর দুর্বল বা হামযাযুক্ত, তার কী হয়।
এআই-এর লেখা ও যাচাই করা
এই পাঠগুলো এআই লিখেছে এবং এআই-ই যাচাই করেছে; আরবির কোনো শিক্ষক এখনও এগুলো পড়েননি। আয়াত, সেগুলোর অর্থ ও প্রতিটি শব্দের বিশ্লেষণ নিজ নিজ উৎস থেকে নেওয়া, আর যেখানে দেখানো হয় সেখানে উৎসের নাম দেওয়া আছে।
- পুরোপুরি জানা কুরআনের শব্দ
- ৫০.৬%
- এ পর্যন্ত শেখানো কুরআনের শব্দাংশ
- ৭০.১%
Quranic Arabic Corpus থেকে গোনা: কোনো শব্দের প্রতিটি অংশ শেখানো হয়ে গেলে শব্দটি পুরোপুরি জানা ধরা হয়। এই সংখ্যাগুলো বলে আপনি কোন শব্দগুলোর দেখা পেয়েছেন, আপনি কতটা বোঝেন তা নয়।
এই পাঠে কুরআনের সবচেয়ে বেশি আসা ক্রিয়াগুলোর আরও আটটি। এদের কয়েকটির ধাতুমূলে দুর্বল অক্ষর বা হামযা আছে, আর সেগুলো এমনভাবে রূপ বদলায় যা করপাস দেখিয়ে দেয়।
নতুন শব্দ
- خَلَقَকুরআন যেভাবে লেখে: خَلَقَ · خَلَقْ · يَخْلُقُ
সৃষ্টি করা, বানানো (খালাকা: সে সৃষ্টি করল)
ধাতুমূল: خ ل قকুরআনে কতবার: ১৮৪
- شَآءَকুরআন যেভাবে লেখে: يَشَآءُ · شَآءَ · شِئْ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ش ي اকুরআনে কতবার: ২৩৬
- أَرَادَকুরআন যেভাবে লেখে: يُرِيدُ · أَرَادَ · تُرِيدُ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ر و دকুরআনে কতবার: ১৩৯
- أَخَذَকুরআন যেভাবে লেখে: أَخَذْ · أَخَذَ · أَخَذَتْ
নেওয়া, ধরা (আখাযা: সে নিল)
ধাতুমূল: ا خ ذকুরআনে কতবার: ১২৭
- وَجَدَকুরআন যেভাবে লেখে: تَجِدُ · يَجِدُ · وَجَدْ
পাওয়া, খুঁজে পাওয়া (ওয়াজাদা: সে পেল)
ধাতুমূল: و ج دকুরআনে কতবার: ১০৬
- سَأَلَকুরআন যেভাবে লেখে: يَسْـَٔلُ · سَأَلْ · أَسْـَٔلُ
জিজ্ঞেস করা, চাওয়া (সা’আলা: সে জিজ্ঞেস করল)
ধাতুমূল: س ا لকুরআনে কতবার: ১০৬
- أَكَلَকুরআন যেভাবে লেখে: تَأْكُلُ · كُلُ · يَأْكُلُ
খাওয়া (আকালা: সে খেল)
ধাতুমূল: ا ك لকুরআনে কতবার: ৯৩
- خَافَকুরআন যেভাবে লেখে: أَخَافُ · يَخَافُ · خِفْ
ভয় করা (খাফা: সে ভয় করল)
ধাতুমূল: خ و فকুরআনে কতবার: ৮৩
এদের দুটি, শা’আ আর আরাদা, কুরআনের ব্যবহারে দ্বীনের অর্থ বহন করে: কোর্স নিজে থেকে এদের কোনো অর্থ দেয় না, আয়াতে পড়ুন, পাশে সংস্করণের অর্থ দেওয়া আছে।
দুর্বল মাঝের অক্ষর
কিছু ধাতুমূলের মাঝের অক্ষর ও (ওয়াও) বা ই (ইয়া)। অতীত রূপে সেই অক্ষর দীর্ঘ আ হয়ে যায়: খাফা ("ভয় করল") এসেছে খ-ও-ফ ধাতুমূল থেকে।
- خَافَভয় করা (খাফা: সে ভয় করল)
- يَخَافُভয় করা (খাফা: সে ভয় করল)
বর্তমান রূপেও একটি দীর্ঘ স্বর থাকে: এখানে আ, ইয়াখাফু ("সে ভয় করে")। ষষ্ঠ পাঠের কালা-ও এই ধরনের, তার বর্তমান রূপে ঊ: ইয়াকূলু ("সে বলে")।
- يُرِيدُ
ইউরীদু হলো আরাদা-র বর্তমান রূপ, যার ধাতুমূল র-ও-দ-এরও মাঝের অক্ষর দুর্বল, এখানে দীর্ঘ ঈ। করপাস আরাদা-কে চতুর্থ ফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে, তাই এর বর্তমান রূপ শুরু হয় ইউ- দিয়ে।
হামযা
আখাযা ("নিল"), সা’আলা ("জিজ্ঞেস করল") আর আকালা ("খেল"), প্রতিটির ধাতুমূলে একটি হামযা আছে। হামযা বেশির ভাগ সময় থেকে যায়, যেমন ইয়া’খুযু ("সে নেয়")। আখাযা আর আকালা-র আদেশে তা বাদ পড়ে: খুয ("নাও!"), কুল ("খাও!")।
- فَতারপর, ফলে, সুতরাং
- أَخَذَনেওয়া, ধরা (আখাযা: সে নিল)
- هُতাকে, তার; এটিকে, এর
ফা-আখাযাহু হলো ফা, তারপর আখাযা ("নিল"), তারপর হু ("তাকে")। করপাস এই ফা-কে কারণবাচক হিসেবে চিহ্নিত করে: পরের কথাটি আগের কথার কারণে আসে।
কর্মবাচ্য
- سُئِلَتْজিজ্ঞেস করা, চাওয়া (সা’আলা: সে জিজ্ঞেস করল)
সু’ইলাত মানে "তাকে (স্ত্রী) জিজ্ঞেস করা হলো": সা’আলা-র অতীত রূপ, আ আর আ-র জায়গায় উ আর ই। করপাস একে কর্মবাচ্য হিসেবে চিহ্নিত করে। পরের পাঠে কর্মবাচ্য আরও আছে।
একটি বাক্যে
ছেলেটি খেল।
এই বাক্যটি অনুশীলনের জন্য লেখা। আকালাল ওয়ালাদু: "ছেলেটি খেল", ক্রিয়া আগে।
পড়া
এই পাঠের পর যে শব্দগুলো আপনি পুরোপুরি জানেন, সেগুলো চিহ্নিত করা আছে।
অতএব যার ইচ্ছে সে তা থেকে উপদেশ গ্ৰহণ করুক।
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1অথচ আল্লাহ্ই সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যা তৈরী কর তাও [১]।'
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1তিনি যা করেন সে বিষয়ে তিনি জিজ্ঞাসিত হবেন না; বরং তাদেরকেই জিজ্ঞাসা করা হবে।
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1মনে করুন
- অতীত রূপে দুর্বল মাঝের অক্ষর কী হয়ে যায়?
- ইউরীদু কেন ইউ- দিয়ে শুরু?
- সা’আলা-র কর্মবাচ্য অতীত কীভাবে লেখা হয়?
উত্তর: দীর্ঘ আ; আরাদা চতুর্থ ফর্ম; সু’ইলা, "তাকে জিজ্ঞেস করা হলো"।
পরের পাঠ
পরের পাঠে আরও আটটি ক্রিয়া, আর করপাস কীভাবে কর্মবাচ্য ও ক্রিয়ার উদ্ভূত ফর্মগুলো চিহ্নিত করে।
শব্দ বিশ্লেষণ: Quranic Arabic Corpus 0.4 (Kais Dukes)