মূল অংশে যান
রমাদান

রমাদানের শেষ দশ রাত ও লাইলাতুল কদর

সাবীল লাইব্রেরি ও হাদীসে রমাদানের শেষ দশ রাত: ই‘তিকাফ, বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর খোঁজা, আর সেই রাতের দু‘আ, প্রতিটি সূত্রের তালিকাসহ।

এআই-এর লেখা · আলেমদের পর্যালোচনা বাকি আছে

এই প্রবন্ধের কথাগুলো সাবীল লাইব্রেরি ও তার উৎসগুলো থেকে এআই লিখেছে, এবং এআই-ই সেগুলোর সাথে মিলিয়ে তা যাচাই করেছে। কোনো আলেম এখনও এটি পর্যালোচনা করেননি। আরবি পাঠ, সেগুলোর অর্থ ও সেগুলোর সূত্র লাইব্রেরি ও কুরআনের নিজস্ব, সেখানে যেমন আছে হুবহু তেমনই দেখানো। নিজের অবস্থার ব্যাপারে ফতোয়ার জন্য একজন যোগ্য আলেমকে জিজ্ঞেস করুন।

প্রকাশিত ৩ অক্টোবর, ২০২৬হালনাগাদ ২১ অক্টোবর, ২০২৬পড়তে ৭ মিনিট

রমাদানের শেষ দশ রাতকে হাদীস আলাদা করে তুলে ধরে: নবী ﷺ এই রাতগুলো মসজিদে ই‘তিকাফে কাটাতেন, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ইবাদতে চেষ্টা করতেন, আর সাহাবীদের বলতেন এই রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর খুঁজতে। এই পাতায় সাবীল লাইব্রেরি এই রাতগুলো নিয়ে কী বলে, তা কোথা থেকে এসেছে, আর সেই রাতের জন্য লাইব্রেরি যে দু‘আ দিয়েছে, তা বলা হয়েছে। প্রতিটি অংশ লাইব্রেরির দেওয়া সূত্র ও মানসহ দেখানো হয়েছে; হাদীসগুলোর নম্বর শেষে দেওয়া আছে। ৯৭:৩ আয়াতের নিচে সংস্করণের নিজের টীকাও দেখানো হয়; তা সংস্করণের নিজের কথা, এই পাতার নয়। নিজের ই‘তিকাফ নিয়ে প্রশ্ন থাকলে একজন আলেমকে জিজ্ঞেস করুন।

যে রাতে কুরআন নাযিল হয়েছে

সূরা আল-কদর এই রাত নিয়েই। সূরাটি শুরু হয় এই কথায় যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লাইলাতুল কদরে; আর এর তৃতীয় আয়াত, যার নম্বর লাইব্রেরির কার্ডে আছে, বলে রাতটির মর্যাদা কতখানি:

لَيْلَةُ ٱلْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ

‘লাইলাতুল-কদর’ হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ [১]।

[১] মুফাসসিরগণ এর অর্থ করেছেন, এ রাতের সৎকাজ কদরের রাত নেই এমন হাজার মাসের সৎকাজের চেয়ে ভালো। [মুয়াসসার] এ শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন হাদীসেও বিস্তারিত বলা হয়েছে। হাদীসে এসেছে, রামাদান আগমন কালে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমাদের নিকট রামাদান আসন্ন। মুবারক মাস। আল্লাহ্ এর সাওম ফরয করেছেন। এতে জান্নাতের দরজাসমূহ খোলা হয়ে থাকে এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। শয়তানদেরকে বেঁধে রাখা হয়। এতে এমন এক রাত রয়েছে যা হাজার মাস থেকেও উত্তম। যে ব্যক্তি এ রাত্রির কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে সে তো যাবতীয় কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো।” [নাসায়ী ৪/১২৯, মুসনাদে আহমাদ ২/২৩০, ৪২৫] অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে কেউ ঈমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদর রাত্রিতে সালাত আদায় করতে দাঁড়াবে তার পূর্ববর্তী সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।” [বুখারী ১০৯১, মুসলিম ৭৬০, আবুদাউদ ১৩৭২, নাসায়ী ৮/১১২, তিরমিয়ী ৮০৮, মুসনাদে আহমাদ ২/৫২৯]

কুরআন ৯৭:৩Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1

সূরাটি এরপর বলে, সে রাতে ফিরিশতাগণ ও রূহ তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে নাযিল হয়, আর সে রাত শান্তিময়, ফজরের আবির্ভাব পর্যন্ত।

রমাদান কার্ডের “শেষ দশ”

লাইব্রেরির রমাদান কার্ডগুলোর একটির শিরোনাম “শেষ দশ”, দুটি লেবেলের নিচে: “I‘tikāf” (ই‘তিকাফ) ও “Laylat al-Qadr” (লাইলাতুল কদর)। লেবেল ও সূত্রের লাইনগুলো কার্ডে ইংরেজিতে ছাপা। স্থানীয় সংস্করণে কার্ডটি দুই ভাগে আছে। ই‘তিকাফ অংশের একটি লাইন নিয়ে লাইব্রেরির নিজস্ব যাচাইয়ে একটি প্রশ্নের মীমাংসা হয়নি; তাই প্রথম ভাগ এখানে লিংক হিসেবে দেওয়া হলো, দেখানো হয়নি। নিচে তার অন্য লাইনগুলোর বর্ণনা আছে, আর দ্বিতীয় ভাগ তার নিজের অংশে দেখানো হয়েছে।

ই‘তিকাফ

কার্ড ই‘তিকাফকে বলেছে ইবাদতের জন্য মসজিদে নির্জনবাস, আর বলেছে নবী ﷺ প্রতি রমযানে তা করতেন, আর ইন্তেকালের বছর বিশ দিন। এটি বুখারীতে আবু হুরায়রার হাদীস। আয়েশা বর্ণনা করেন, নবী ﷺ ইন্তেকাল পর্যন্ত রমাদানের শেষ দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন, আর তাঁর পরে তাঁর স্ত্রীরা ই‘তিকাফ করতেন; এবং ই‘তিকাফে থাকা অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া ঘরে প্রবেশ করতেন না। শুধু প্রয়োজনে বের হওয়ার কথা কার্ডের লাইনেও আছে।

কখন প্রবেশ ও কখন বের হওয়া, তা-ও কার্ডে আছে। রোযার লাইনে কার্ড মাযহাবগুলোর নাম নিয়েছে: হানাফি ও মালিকি মতে ই‘তিকাফের সাথে রোযা শর্ত, শাফি‘ঈ ও হাম্বলি মতে নয়। কার্ড দুটি মতই জানিয়েছে, এই পাতাও তাই করছে; আপনার বেলায় কোনটি প্রযোজ্য, তা একজন আলেমের কাছে জানার বিষয়।

লাইলাতুল কদর

দ্বিতীয় ভাগের শুরুতে আছে ই‘তিকাফ অংশের সূত্রের লাইন: বুখারী ও মুসলিম, মান সহীহ। তারপর “Laylat al-Qadr” লেবেলের নিচে কার্ড বলে, রাতটি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম, যা ৯৭:৩ আয়াতের কথা, আর তা খোঁজা হয় শেষ দশকের বেজোড় রাতে। এর সূত্রের লাইনে আছে কুরআন ৯৭:৩, তারপর বুখারী ও মুসলিম, মান সহীহ। বুখারীতে আয়েশা বর্ণনা করেন, শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর খোঁজার নির্দেশ; আর ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেন, যে রাতে নয়, সাত বা পাঁচ রাত বাকি থাকে। কার্ড আরও বলে, তা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ২৭ তারিখে; এটি কার্ডের নিজের কথা, এই পাতা এর সাথে কিছু যোগ করছে না।

বুখারীতে আবু হুরায়রা বর্ণনা করেন: যে ঈমানের সাথে ও প্রতিদানের আশায় লাইলাতুল কদরে নামাযে দাঁড়ায়, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করা হয়।

সেই রাতের দু‘আ

লাইনটির নিচে কার্ডে একটি দু‘আ আছে: আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও ক্ষমা-প্রিয় বলে ডেকে তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দু‘আ। লাইব্রেরি এর সূত্র দিয়েছে তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ, মান সহীহ; সূত্রের লাইনে ইংরেজিতে আছে, আয়েশা যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন রাতটি পেলে কী বলবেন, তখন তাঁকে এটি শেখানো হয়েছিল। দুই গ্রন্থেই আয়েশা নবী ﷺ-কে জিজ্ঞেস করেন সেই রাতে তিনি কী বলবেন, আর নবী ﷺ তাঁকে দু‘আটি শেখান; ইবনে মাজাহর শব্দ কার্ডের শব্দই, তিরমিযীর শব্দে একটি শব্দ বেশি আছে। তিরমিযী তাঁর হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। অ্যাপের হাদীস ডেটাসেটে যেসব পরবর্তী আলেমের মান আছে, তাঁদের তিনজন দুটি হাদীসকেই সহীহ বা হাসান সহীহ বলেছেন, আর একজন, যুবায়ের আলী যাঈ, দুটিকেই দুর্বল বলেছেন।

06bThe last tenশেষ দশ
Bukhārī, Muslim · ṣaḥīḥ
Laylat al-Qadr
হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। শেষ দশকের বেজোড় রাতে খোঁজা হয় — ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ — এবং সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ২৭ তারিখে।
Better than a thousand months. Sought in the odd nights of the last ten — the 21st, 23rd, 25th, 27th and 29th — and most often found on the 27th.
Q 97:3; Bukhārī, Muslim · ṣaḥīḥ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
Allāhumma innaka ʿafuwwun tuḥibbu’l-ʿafwa fa-ʿfu ʿannī
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নী
হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করুন।
O Allah, You are Pardoning and love to pardon, so pardon me.
Tirmidhī, Ibn Mājah · ṣaḥīḥ — taught to ‘Ā’ishahـؓ when she asked what to say if she found it.
রমাদান থেকে · পুরো শিরোনাম খুলুন

শেষ দশে নবী ﷺ যেভাবে কাটাতেন

লাইব্রেরির রমাদান পোস্টারে একই দু‘আ আছে “শেষ দশ রাত” সারিতে, সাথে বেজোড় রাতে কদর খোঁজার কথা, আর তিনি ﷺ কী করতেন তা নিয়ে একটি বাক্য। বুখারীতে আয়েশা বর্ণনা করেন: শেষ দশক শুরু হলে নবী ﷺ কোমর বেঁধে নিতেন, সারারাত নামায পড়তেন, আর পরিবারকে জাগিয়ে রাখতেন। সহীহ মুসলিমে তিনি বলেন, নবী ﷺ শেষ দশে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ইবাদতে চেষ্টা করতেন। সারির সূত্রের লাইনে আছে তিরমিযী, মান সহীহ, এবং কুরআন ৯৭:৩; এই সূত্রের লাইন নিয়ে লাইব্রেরির নিজস্ব যাচাইয়ে একটি প্রশ্ন খোলা আছে, তাই সারিটি লিংক হিসেবে দেওয়া হলো, দেখানো হয়নি।

পকেট সঙ্গী-র “হিজরি সঙ্গী” সেটে “রমযান” শিরোনামের কার্ডে মাসের অন্য বিষয়ের সাথে লাইলাতুল কদর খোঁজা ও ই‘তিকাফের উল্লেখ আছে, আর “Laylat al-Qadr” লেবেলের নিচে দু‘আটি আবার এসেছে।

পোস্টারে ই‘তিকাফ

একই পোস্টারে ই‘তিকাফের নিজস্ব একটি সারি আছে, শিরোনাম “ই‘তিকাফ — মসজিদে নির্জনবাস”। তাতে আছে, তিনি ﷺ প্রতি বছর শেষ দশ রাত মসজিদে থাকতেন, আর ইন্তেকালের বছর বিশ রাত, আর কখন প্রবেশ ও কখন বের হওয়া। লাইব্রেরি এই সারির সূত্র দিয়েছে বুখারী ও মুসলিম, মান সহীহ। নিজের ই‘তিকাফের বেলায় কী প্রযোজ্য, তা একজন আলেমের কাছে জানার বিষয়।

07I‘tikāf — retreat in the masjidই‘তিকাফ — মসজিদে নির্জনবাস
তিনি ﷺ প্রতি বছর শেষ দশ রাত মসজিদে থাকতেন, আর ইন্তেকালের বছর বিশ রাত। বিশ তারিখ সূর্যাস্তের আগে প্রবেশ, মাস শেষের সূর্যাস্তে বের হওয়া।
He ﷺ kept to the masjid for the last ten nights every year, and in the year he died, for twenty. One enters before sunset on the twentieth and leaves at the sunset that ends the month.
Bukhārī, Muslim · ṣaḥīḥ
রমাদান থেকে · পুরো শিরোনাম খুলুন

সূত্র

কুরআনের আয়াত, সূরা ও আয়াত নম্বরে: ৯৭:৩, উপরে দেখানো; ৯৭:১, ৯৭:৪ ও ৯৭:৫, সূরা থেকে বর্ণিত, যা কুরআনের পাতায় আছে।

হাদীস, গ্রন্থ ও নম্বরে, sunnah.com যেভাবে নম্বর দেয়: বুখারী ফাতহুল বারীর নম্বর অনুযায়ী; মুসলিম মুহাম্মাদ ফুয়াদ আবদুল বাকীর নম্বর অনুযায়ী, আর sunnah.com যেখানে একটি নম্বরকে ভাগ করেছে সেখানে তার বর্ণ (ক = a, খ = b) সহ; তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ sunnah.com-এর নম্বর অনুযায়ী। লাইব্রেরি প্রতিটি অংশের নিচে গ্রন্থের নাম দিয়েছে; নম্বরগুলো ওপরে বর্ণিত হাদীসের।

  • প্রতি রমাদানে ই‘তিকাফ, আর ইন্তেকালের বছর বিশ দিন: সহীহ বুখারী ২০৪৪।
  • ইন্তেকাল পর্যন্ত শেষ দশে ই‘তিকাফ, আর তাঁর পরে স্ত্রীদের ই‘তিকাফ: সহীহ বুখারী ২০২৬।
  • ই‘তিকাফে প্রয়োজন ছাড়া ঘরে প্রবেশ না করা: সহীহ বুখারী ২০২৯।
  • শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর খোঁজা: সহীহ বুখারী ২০১৭; নয়, সাত বা পাঁচ রাত বাকি থাকা রাত: সহীহ বুখারী ২০২১।
  • লাইলাতুল কদরে নামাযে দাঁড়ানো: সহীহ বুখারী ১৯০১।
  • কোমর বাঁধা, সারারাত নামায, পরিবারকে জাগানো: সহীহ বুখারী ২০২৪।
  • অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে শেষ দশে বেশি ইবাদতে চেষ্টা করা: সহীহ মুসলিম ১১৭৫।
  • সেই রাতের দু‘আ: জামি‘ তিরমিযী ৩৫১৩ (তিরমিযীর মতে হাসান সহীহ); সুনান ইবনে মাজাহ ৩৮৫০; পরবর্তী একজন আলেম দুটিকেই দুর্বল বলেছেন।

সাবীল লাইব্রেরি থেকে: রমাদান, “শেষ দশ” কার্ড: দ্বিতীয় ভাগ উদ্ধৃত, প্রথম ভাগ লিংক হিসেবে; রমাদান পোস্টার, “শেষ দশ রাত” সারি, লিংক হিসেবে, আর “ই‘তিকাফ — মসজিদে নির্জনবাস” সারি; পকেট সঙ্গী, “রমযান” কার্ড, লিংক হিসেবে।

৯৭:৩-এর নিচের টীকাটি অনুবাদ-সংস্করণের নিজের কথা, এই পাতার নয়।

এরপর কোথায় যাবেন

  • অ্যাপের রমাদান পাতার “ত্রিশ দিন” ছকে পুরো মাসের সাহরি ও ইফতারের সময় আর ত্রিশ দিনের খাতা একসাথে আছে। শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলো সেখানে মোটা দাগে ও “বিজোড় রাত” লেখা দিয়ে চিহ্নিত। রাতগুলো অ্যাপের হিসাব করা তারিখ ধরে গোনা; পাতাটি নিজেই জানায় যে আসল দিনটি আপনার এলাকার চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে। ছকের নিচে “শেষ দশ” কার্ডটি দেখানো হয়।
  • ওই ছকে দিনের কুরআন পাঠের একটি ঘর আছে; খতম পরিকল্পনা আপনার বেছে নেওয়া দিনে মুসহাফ ভাগ করে দেয়।
  • রমাদান কার্ড ও রমাদান পোস্টার প্রিন্ট করা যায়।
  • রমাদান নিয়ে আরও দুটি লেখা: ইফতারের দু‘আ এবং রমাদান ২০২৭।
এই প্রবন্ধে উদ্ধৃত
রমাদানরমাদান
সংশোধন ও মতামত

সাবীলের মেইলবক্স তৈরি করা হচ্ছে। কেউ তা পড়া শুরু করলেই এই প্রবন্ধে সংশোধন বা মতামত পাঠানোর উপায় দেওয়া হবে।